কোর্সে যা শিখবেন
Instructor bio not available.
Instructor bio not available.
Instructor bio not available.
কোর্স কারিকুলাম
Course Overview
১) উদ্যোক্তা হওয়ার লক্ষ্যে মাঠে নামার পর যারা ব্যর্থ হয় তাদের মধ্যে অধিকাংশ বা ৮০% ব্যক্তি ব্যর্থ হয় প্রথম ছয় মাসে। এজন্য কিভাবে শুরু করতে হবে এর গাইডলাইন খুবই জরুরী যা এই প্রশিক্ষণে স্পষ্টভাবে বারে বারে বলা হয়েছে বা দেওয়া হয়েছে।
২) বিশেষ করে নতুন একজন ব্যক্তি উদ্যোক্তা হতে গেলে তাকে অনেকগুলো বিষয়ে এক্সপার্ট হতে হয়, যে দুর্বলতার কারণে অধিকাংশ উদ্যোক্তা শুরুতে ব্যর্থ হয় এরূপ ১০ টি বিষয় ধারাবাহিকভাবে এই প্রশিক্ষণে দেওয়া হয়েছে।
৩) ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার এবং আইনজীবী এর ক্ষেত্রে ইন্টার্নশিপ থাকলেও উদ্যোক্তার মত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাংলাদেশে তেমন কোন ইন্টার্নশিপ চালু করা হয়নি, কিন্তু জিএম আইটি প্রদত্ত প্রশিক্ষণটিতে সপ্তম পার্ট হতে নতুন ব্যক্তিদের কে প্র্যাকটিক্যালি কাজ ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং সর্বোচ্চ মনিটরিং এর মাধ্যমে কাজ কন্টিনিউ করানো হয়। ফলে ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যায়।
৪) জিএম আইটি উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ কোর্সে যে ১০ টি পার্ট নিয়ে ধারাবাহিকভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এর প্রায় প্রতিটি বিষয় উদ্যোক্তা না হলেও প্রত্যাহিক জীবনে কাজে লাগবে।
৫) প্রথম থেকে ধারাবাহিকভাবে ক্লাস অনুসারে শিখলে এবং কন্টিনিউ করলে উদ্যমিদের জন্য সপ্তম পার্ট থেকে ইনকাম করার সুযোগ রয়েছে।
৬) জিরো ইনভেস্টমেন্টে কাজ শুরু করার চমৎকার পরিকল্পনা এই প্রশিক্ষণটিতে রয়েছে, ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি নেই।
৭) ১০ টি পার্ট এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি বা দুইটি রপ্ত করতে পারলে ফ্রিল্যান্সিং করে ও নিজের মত করে নিজে আয় করতে পারবে।
৮) সর্বোপরি একজন নতুন ব্যক্তি উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষেত্রে বড় রকম ভিত্তি তৈরি হতে পারে এই প্রশিক্ষণটির মধ্য দিয়ে।
১) উদ্যোক্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ বা Entrepreneur Internship Course:
মূলত উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য জ্ঞান দরকার এরূপ দশটি বিষয় নিয়ে এই প্রশিক্ষণে আলোচনা করা হয়। সাধারণত একজন ব্যক্তি উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে চাইলে তার স্ট্রং মাইন্ড সেটআপ দরকার, গ্রাফিক্স ডিজাইন, কন্টেন্ট রাইটিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, কাস্টমার ডিলিংস, ভিডিও এডিটিং সহ বেশ কিছু জায়গাতে দক্ষতা থাকা দরকার। যা এই প্রশিক্ষণ টিতে শেখানো হয়। এতগুলো বিষয় এক জায়গায় একসাথে বাংলাদেশে শুধুমাত্র জিএম আইটি প্রদান করছে।
২) প্রশিক্ষণের পর ন্যূনতম তিন থেকে ছয় মাস ইন্টার্নশিপ:
মূলত এই ধাপে প্র্যাকটিক্যালি কাজটা শিখিয়ে দেওয়া হয়। প্রায় উদ্যোক্তারা বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে অনেক কষ্ট করে টাকা ম্যানেজ করে নিজের মতো করে ব্যবসা শুরু করে দেয়, বিভিন্ন বাধা প্রতিবন্ধকতায় ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে উদ্যোক্তারা হতাশ হয়ে যায় এবং পরিবারের সামনে মুখ দেখাতে পারেনা। কারণ ইনভেস্ট নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
মূলত এজন্য জিএম আইটি বলছে আপনারা বিজনেসটি প্র্যাকটিক্যালি আগে শিখুন অতঃপর নিজের মতো করে করুন। প্রাণের প্রতিষ্ঠান জিএম আইটি একমাত্র প্রতিষ্ঠান যে প্রতিষ্ঠানটি প্র্যাকটিক্যালি কাজ শিখিয়ে দেই নবীনদের।
###যারা এই প্রতিষ্ঠানে এসেছেন অন্তত এটুকুর জন্য সারা জীবন কৃতজ্ঞ থাকতে হবে যে এই প্রতিষ্ঠানে এসে আপনি অনেক কিছু শিখেছেন। যে শিক্ষাটা নিয়ে ইনশাআল্লাহ আপনাকে বেকার বসে থাকতে হবে না।
###আমাদের সিনিয়র উদ্যোক্তারা ও আপনাদের মতই নবীন এজন্য ছোটখাটো ভুল ভ্রান্তি হয়তো হতে পারে। প্লিজ ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
৩) প্রোডাক্টসোর্সিং:
জিএম আইটি শুধুমাত্র উদ্যোক্তাদের সাপোর্টের জন্য প্রায় চারশত ফ্যাক্টরি এর সাথে চুক্তিবদ্ধ। যেন উদ্যোক্তারা লাভবান হয়। সবচেয়ে বেশি সেল করে থাকে চা-কফি জুস বা ফুট ক্যাটাগরির পণ্য। উক্ত পণ্যের বর্তমানে 33 টি প্রোডাক্ট এর বিএসটিআই আছে। নতুন আরো প্রায় ২০ টি পণ্যের বিএসটিআই করানোর কাজ প্রসেসিং এ আছে। শুধু তাই নয় আগামী এপ্রিল মাসে জিএম আইটি এর উদ্যোক্তা প্যানেল চীন থেকে সরাসরি পণ্য ইমপোর্ট করতে যাচ্ছে, উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করার লক্ষ্যে। উল্লেখ্য বিএসটিআইয়ের অনুমোদনবিহীন এবং লিগ্যাল ডকুমেন্টবিহীন পন্য বিক্রয় থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকুন।
এছাড়া ও বর্তমানে ৫০ টির ও বেশি আইটি কোর্স ব্যাপকভাবে আমরা সেলস করার সুযোগ পাচ্ছি। শুধু তাই নয় ১৭ টি আইটি সার্ভিস এবং নতুন প্রায় ৫০টি ডিজিটাল সার্ভিস রেডি করার কাজ চলমান রয়েছে। যা ২০২৫ সালে আপনার ব্যবসাকে পৌঁছে দিবে এক অনন্য উচ্চতায়।
৪) ইনভেস্টর:
আমাদের দেশে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার লক্ষ্যে অন্যতম একটি বাধা হচ্ছে ইনভেস্ট করতে না পারা অর্থাৎ ইনভেস্ট করে ব্যবসা শুরু করতে না পারা। পরিবার থেকে অনেকে সাপোর্ট পায় না এমনকি ধার করে ব্যবসা শুরু করবে এটিও সম্ভব হয় না। এজন্য জিএম আইটি তৈরি করেছে চমৎকার একটি ইনভেস্টর প্যানেল। যারা নতুন উদ্যোক্তাদের শর্তসাপেক্ষে ইনভেস্ট সাপোর্ট প্রদান করে থাকে।
৫) ব্যাচ কাউন্সিলর এবং ম্যান্টর শিপ সাপোর্ট:
জিএম আইটি তে বর্তমানে প্রায় ৭০ জন ব্যাচ কাউন্সিলর এবং 14 জন মেন্টর পুরোদমে নতুন উদ্যোক্তাদের সাপোর্ট প্রদান করে যাচ্ছে। ব্যাচ কাউন্সিলর এবং মেন্টরদের নতুনভাবে, নতুনরূপে সাজানো হচ্ছে, ইনশাল্লাহ।
###সব কিছুই মিলিয়ে বলতে চাই জিএম আইটি বাংলাদেশের এক অনন্য প্রতিষ্ঠান, যে প্রতিষ্ঠানটি আগামীতে, ইনশাল্লাহ লক্ষ তরুণের ভাগ্য বদলে দিবে, ইনশাল্লাহ। লক্ষ মায়ের মুখে হাসি ফোটাবে, ইনশাল্লাহ। বিশ্বের বহু দেশ থেকে রেমিট্যান্স বাংলাদেশ আনবে ইনশাল্লাহ, তথ্য প্রযুক্তি বিপ্লবের এক শক্তিশালী অংশীদার হিসেবে বড় রকম ভূমিকা রাখবে ইনশাল্লাহ।
সার্টিফিকেট
৩ মাস-এর এই course-টি আপনার জীবন বদলে দিতে পারে। এখনই ভর্তি হন এবং আমাদের 0+ সফল শিক্ষার্থীর দলে যোগ দিন।